September 25, 2020, 5:21 am

নোটিশ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিউজ ২৪ ডটকম এ আপনাদেরকে স্বাগতম:: ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিউজ ২৪ ডটকম এ প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন, যোগাযোগ- মোঃ নাজিম উল্লাহ নাজু, সম্পাদক ও প্রকাশক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিউজ ২৪ ডটকম, কাজীপাড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। মোবাইলঃ 01732877149, নির্বাহী সম্পাদক, আরাফাত আহমেদ, মোবাইলঃ 01916608000
সংবাদ শিরোনাম
মাছিহাতার পীরজাদা সৈয়দ ওমর ফারুকের ইন্তেকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব নির্বাচনে সভাপতি জামী, সাধারণ সম্পাদক বিজন নির্বাচিত কাউতলীতে ক্লিনিকে প্রসূতিকে সিজারের সময় নবজাতকের পেট কেটে ফেলার অভিযোগ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে নোঙর রাজঘাট ইউনিট’র যাত্রা শুরু বিজয়নগরে পানিতে ডুবে চাচাতো ২ বোনের মৃত্যু ধর্ষণ মামলার আসামী বৃদ্ধ জামিন নিয়ে ফুলের মালায় শোডাউন, সমালোচনার ঝড়   আশুগঞ্জে বিয়ারের ক্যান ও প্রাইভেটকার’সহ ২ জনকে আটক করেছে র‍্যাব ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিএনজি চাপায় বাইক রাইডার নিহত বিজয়নগর থেকে বিভিন্ন প্রকারের মাদকসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক কসবায় স্বামীর মৃত্যুর খবর শুনে ১ ঘন্টার মধ্যে মারা গেলেন স্ত্রী 
মরার উপর খাড়ার ঘা আখাউড়ায় বিদ্যুতের ভূতুরে বিল! ভোগান্তির শেষ কোথায়

মরার উপর খাড়ার ঘা আখাউড়ায় বিদ্যুতের ভূতুরে বিল! ভোগান্তির শেষ কোথায়

আশরাফুল মামুনঃ উপজেলায় বিদ্যুতের কোন ঘাটতি নেই চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ রয়েছে পর্যাপ্ত। মৌসুমের ভ্যাপসা গড়মে তীব্র লোডশেডিং এ জনজীবন যখন বিপর্যস্ত তখন এই ভরা লকডাউনে মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে চেপে বসেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকদের ভূতুরে বিল। অধিকাংশ গ্রাহকদের একই অভিযোগ আগের মাসের চেয়ে গত মাসের বিল তিন থেকে চারগুন বেশি হয় কিভাবে? তবে এই ভুতুরে বিল সম্পর্কে ডিজিএম আবুল বাশার বলছেন লকডাউনে সবাই অন্য সময়ের চেয়ে এ সময়ে ঘরে বেশি সময় অবস্থান করে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করায় বিল বেশি এসেছে। আরো অভিযোগ রয়েছে বিল তৈরীতে মিটার রিডিং এ ব্যাপক অসংগতি। কাল্পনিক বিলের ছড়াছড়িতে বাস্তবতার কোন মিল নেই। অনেকে বলছেন আগের মাসের পরিশোধ করা বিল একসাথে জুড়ে দিয়ে সাতপাচ বুঝিয়ে বিল আদায় করা হচ্ছে। গ্রাহকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন পুরো রমজান মাস টা ই গেলো গজব নামের আজব লোডশেডিং এর ভেলকিবাজি তে। যখন বিদ্যুৎ এর কোন ঘাটতি নেই তখন কেন লোডশেডিং আর সারামাস লোডশেডিং দিয়ে হাতে ধরিয়ে দিচ্ছে কাল্পনিক ভূতুরে বিল। গত ২৭ মে ঝড়ে উপজেলার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন সহ ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। লাইন মেরামত করে তিনদিন পর বিদ্যুৎ ব্যাবস্থা স্বাভাবিক হয়।  এখন মৌসুমি ঝড় তুফানের  প্রভাবে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হবে এটা অস্বাভাবিক কিছু না। অত্র উপজেলায় ২০১৯ এর শেষের দিকে বর্তমান  সরকার শতভাগ বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে। অথচ কয়েক মাসের পরেই এর চিত্র পাল্টাতে থাকে। লোডশেডিং, অনিয়ম, ভুতুরে বিল, গ্রাহক সেবার মান সহ সার্বিক ভাবে পরিস্থিতি বিবেচনায় আখাউড়া উপজেলার বিদ্যুৎ ব্যাবস্থা এখন জেমস্ এর গান পাগলা হাওয়ার তোড়ে মাটির পিদিম এখন নিভু নিভু করে। পাগলা হাওয়া আসুক বা নাই আসুক সামান্য ধমকা হাওয়াতেই পুরো এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এই ভোগান্তির শেষ কোথায় এবং এর সমাধান কোথায় নিহিত আছে গ্রাহকেরা এখনও অনিশ্চিতয়তার মাঝে দিন কাটাচ্ছে। একাধিকবার অভিযোগ ও সমাধান চেয়েও তারা কোন সদুত্তর পান নি। একদিকে কোভিট – ১৯ মহামারি সামাল দিতে লকডাউনে যখন মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে তখন বিদ্যুৎ এর এই ভূতুরে বিল যেন উপজেলাবাসীর গাড়ে মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে চেপে বসেছে এমনটাই গ্রাহকেরা দাবি করেছেন।

গ্রাহকদের ক্ষোভ ঘর থেকে শুরু করে এখন ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে। সুলাইমান ইসলাম রুমেল নামে একজন গ্রাহক বললেন, ব্রিটিশ গেলো পাকিস্তান গেলো এখন শোষন করছে পল্লী বিদ্যুৎ, গত মাসের বিল চলতি মাসের সাথে জুড়ে দিয়ে আদায় করছে তারা। ফোরকান উদ্দিন নামে একজন লিখেছেন,  বর্তমান ডিজিএম আসলে একজন অদক্ষ উনি আসার পর থেকেই উপজেলার বিদ্যুতের দূরবস্থা তাই উনার অপসারণ দাবি করছি। স্থানীয় সংগঠক এনএস কবির জানিয়েছেন,  সে একজন অযোগ্য অদক্ষ ডিজিএম,এর উপর এলাকায় সে কিছু  ভন্ড বাটপারকে ম্যানেজ করে তার দৌরাত্ম চালাচ্ছে। নুরুল ইসলাম বলেছেন যেখানে ১০০% বিদ্যুতায়ন ঘোষণা করা হয়েছে আখাউড়া উপজেলাকে।সেখানে বর্তমান ডিজিএম আসার পর ০% হয়ে গেছে। স্থানীয় একটি কলেজের প্রভাষক মোঃ হাফিজুর রহমান বললেন, গত মাসে আমার নতুন ভবনের জন্যে নেওয়া মিটারে বিদ্যুৎ বিলে ভুতুড়ে বিল করেছে, বিলের কাগজে দেখানো হয়েছে পূর্ববর্তী ইউনিট ৩৫ বর্তমান ইউনিট ৩৫ এবং ব্যবহার করা ইউনিট ৩০,
এ ধরনের অসংখ্য অভিযোগ পাওয়া গেছে যাদেরব বেশির ভাগই অভিযোগ বিদ্যুৎ এর কাল্পনিক ভূতুরে বিল নিয়ে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা আখাউড়া জোনাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মোঃ আবুল বাশার উপরোক্ত সব অভিযোগ শুনে বললেন, কোভিট ১৯ নিয়ন্ত্রণে সরকার লকডাউন ঘোষণার কারনে পুরো রমজান জুড়েই গ্রাহকেরা ঘরে থাকায় বিদ্যুৎ এর ব্যবহার বেশি হয়ে তবে কেউ যদি মনে করে তার বিদ্যুৎ বিলে কোন অসংগতি আছে তাদের কে আমাদের কাছে পাঠিয়ে দিন আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।  অসহনীয় পর্যায়ের লোডশেডিং ভোগান্তির বিষয়ে তিনি বললেন, ঝড় বৃষ্টির কারনে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটা মেরামত করে বিদ্যুৎ চালু করতে একটু সময় লাগে।  তবে যখন কোন বিদ্যুৎ এর ঘাটতি থাকে না এবং কোন ঝড় বৃষ্টি থাকে না তখন কেন ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারে নি। তিনি আর বলেন,  আমরা চেষ্টা করছি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Copyright @ brahmanbarianews24.com