October 20, 2019, 12:04 pm

নোটিশ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিউজ ২৪ ডটকম এ আপনাদেরকে স্বাগতম:: ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিউজ ২৪ ডটকম এ প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন, যোগাযোগ- মোঃ নাজিম উল্লাহ নাজু, সম্পাদক ও প্রকাশক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিউজ ২৪ ডটকম, কাজীপাড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। মোবাইলঃ 01732877149, নির্বাহী সম্পাদক, আরাফাত আহমেদ, মোবাইলঃ 01916608000
আখাউড়ায় তিতাস ব্রিজে দর্শনার্থীদের ভীড়   

আখাউড়ায় তিতাস ব্রিজে দর্শনার্থীদের ভীড়   

আশরাফুল মামুনঃ আখাউড়া রেলওয়ে জংশনের কাছে তিতাস ব্রিজ এলাকা এখন হয়ে উঠেছে বিনোদন কেন্দ্র। অনেক মানুষ প্রতিদিন আসছেন। তিতাস নদীর ওপর দিয়ে ডাবল রেললাইন হওয়ায় তারা কিছু সময় এখানে ব্যয় করছেন। এখানকার সৌন্দর্য সব বিনোদন প্রেমী মানুষকে কাছে টানছে। তাদের যেন নিয়ে যায় নৈসর্গিকতায়। ঈদ বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এখানকার গুরুত্ব আরো বেড়ে যায়। প্রতিটি উৎসবে ব্রিজ এলাকা বিনোদন পিয়াসীদের কাছে যেন পিকনিক। ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডে চলছে ডাবল রেল লাইনের কাজ। অপরদিকে রয়েছে ঢাকা-সিলেট (আখাউড়া) বাইপাস রেলপথ। তা ছাড়া সামান্য দূরেই রয়েছে দেশ বরেণ্য প্রখ্যাত ওলি হযরত শাহপীর কল্লা শহীদ (রহ.) মাজার শরিফ। এসব কারণে তিতাস ব্রিজসংলগ্ন এলাকার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। তাই পৌর শহরসহ সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বিনোদন প্রেমিকদের পদচারণা ও ভালো লাগার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু এখন তিতাস ব্রিজ।

ঈদের দিন বিকেলে রোদের তাপ কমতে শুরু করলেই বিভিন্ন স্থান থেকে অসংখ্য মানুষের সমাগম ঘটে। বিকেল থেকে সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত অবধি তিতাস ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় মানুষের আনাগোনা লক্ষ্য করা যায়। সেই সঙ্গে তিতাস পাড়ে জমে উঠেছে বুট বাদাম, চটপটি, চানাচুরসহ রকমারি ক্ষুদ্র দোকান। বাইপাস রেললাইন আর তিতাস ব্রিজের দুপাশে বর্ষার পানি থই থই করায় তিতাসের নৈসর্গিক রূপে মানুষের টান থাকে যেন সর্বক্ষণ। বিকেল হলেই স্ত্রী, পুত্র, পরিবারের সদস্য, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনসহ নানা শ্রেণি-পেশার বিনোদন প্রেমীদের আনন্দ আর হইচই শুরু হয়। আনন্দঘন সময় স্মৃতিময় করতে অনেকেই মোবাইল ফোনে সেলফি তুলছেন। আবার কেউ বা গলা ছেড়ে মনের আনন্দে গাইছেন গান।

ঘুরতে আসা সদর উপজেলার জাদুঘর গ্রামের অ্যাডভোকেট রাসেল বলেন, পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে স্ত্রী, পুত্র, আর মেয়ে নিয়ে ঢাকা থেকে গত তিন দিন আগে গ্রামের বাড়িতে এসেছি। সময় কম থাকায় দূরে কোথাও গিয়ে তাদের নিয়ে বেড়ানো যাচ্ছে না। তাই এখানে আমাদের চলে আসা। তিতাস ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় মনোরম দৃশ্য দেখে তারা খুবই আনন্দিত।

সস্ত্রীক ঘুরতে আসা আখাউড়া উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. মৌসুমী আকতার  বলেন, যে পেশায় আছি ইচ্ছে করলে দূরে কোথাও বেড়ানো সম্ভব হয় না। তিতাস ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় এখন বিনোদনবঞ্চিত মানুষের আনন্দের একটা স্থান হয়েছে। তাই মুক্ত হাওয়ায় বসে থেকে মনটাকে সতেজ করতে মূলত এখানে আসা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Copyright @ brahmanbarianews24.com